খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটকে আধুনিক ও উন্নত শহরে রূপান্তর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি দাবি করেছেন, বিগত সরকার সিলেট নগরে তেমন কোনো উন্নয়ন করেনি এবং এবার নির্বাচিত হলে নাগরিক সুবিধা, অবকাঠামো ও জনসেবায় বড় পরিবর্তন আনবেন।
মুক্তাদিরের ভাবনা ও পরিকল্পনা
তিনি বলেছেন, বিগত সরকার সিলেট নগরে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।
যদিও নগরের মেয়র ছিলেন বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী, মুক্তাদির দায় দিয়েছেন মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর।
মুক্তাদির জনগণের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন: “কেমন সিলেট চান?” তিনি সরাসরি মানুষের মতামত নিতে চান এবং প্রচারণায় নাগরিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হচ্ছেন।
মুক্তাদিরের নির্বাচনী প্রচারণা
সিলেট নগরের বিভিন্ন পয়েন্টে তিনি গণসংযোগ করছেন, লিফলেট বিতরণ করছেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন।
তিনি অতীতের স্মৃতি টেনে এনেছেন—তার বাবা খন্দকার আব্দুল মালিক ১৯৯১ সালে সিলেট-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
অবকাঠামো উন্নয়ন: সড়ক, ড্রেনেজ, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে আধুনিকীকরণ। স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে উন্নয়ন,সিলেটের ঐতিহ্য ও ইতিহাসকে গুরুত্ব দিয়ে পর্যটন খাতকে শক্তিশালী করা। কর্মসংস্থান বাড়াতে নতুন শিল্প ও ব্যবসায়িক উদ্যোগ।
সিলেট-১ আসনকে মর্যাদাপূর্ণ আসন ধরা হয় এখানে জয়ী দল সাধারণত সরকার গঠন করে। তাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও তীব্র সিলেটবাসী উন্নয়ন ও স্বচ্ছ প্রশাসন চায়। মুক্তাদিরকে বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা দেখাতে হবে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সিলেটকে আধুনিক, উন্নত ও নাগরিকবান্ধব শহরে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং সিলেটের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ।