পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সাম্প্রতিক দিল্লি সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিকগুলো স্পষ্টভাবে সামনে আসছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ সফরকে কূটনৈতিক মহল বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও এস. জয়শঙ্কর একসঙ্গে দিল্লি থেকে মরিশাসের উদ্দেশে রওয়ানা দেন।
সেখানে তারা ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্সে অংশ নেবেন। এ যৌথ সফরকে কূটনৈতিক মহল খুব তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘লং ডিপ্লোম্যাটিক জার্নি’ শুধু একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ নয়, বরং চলতি আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়াকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করছে।
তারা আরও বলেন, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে আস্থা, সহযোগিতা এবং নিয়মিত সংলাপের যে বার্তা এই সফরে উঠে এসেছে, তা ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
গত মঙ্গলবার দিল্লিতে পৌঁছেই সন্ধ্যায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সেখানে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সীমান্ত পরিস্থিতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়গুলো উঠে আসে। পরদিন ৮ এপ্রিল (বুধবার) নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, জ্বালানি, সংযোগ ও মানুষে-মানুষে যোগাযোগ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয় ওই বৈঠকে। এছাড়া ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযুষ গয়াল এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়েও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা হয়েছে।