1. motinbishnes@gmail.com : সোনালী সিলেট : সোনালী সিলেট
  2. info@www.sonalisylhet.com : সোনালী সিলেট :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা সারাদেশে দুই দিনে বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু; সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি সিলেটে এসএসসি পরীক্ষার আগে নীতিমালায় বড় পরিবর্তন সিলেটে উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩; জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান: রাষ্ট্রের মালিকানায় সিলেটের ঐতিহাসিক কাজিরবাজার ডোনাল্ড ট্রাম্প মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, পদচ্যুতি দরকার: সাবেক সিআইএ পরিচালক এলএনজি, অপরিশোধিত তেল দ্বিগুণ দামে কিনছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

বোরকা পরে ভাড়া বাসায় ওঠেন মমতাজ, ঘর থেকে বের হননি ৩ মাস

সোনালী ডিজিটাল ডেস্ক🖊
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

মধ্যরাতে বোরকা পরে মাইক্রোবাসে চড়ে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ভাড়া বাসায় গোপনে ওঠেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকে সোমবার (১২ মে) তাকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বর্তমানে চার দিনের রিমান্ডে রয়েছেন তিনি।

সরকার পরিবর্তনের প্রায় ১০ মাস পর মমতাজ গ্রেপ্তার হওয়ায় রাজনৈতিক ও জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন, কীভাবে আত্মগোপনে ছিলেন এই সাবেক সংসদ সদস্য।

মমতাজের আপন ভাই এবারত হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে টানা ৩ মাস সিংগাইরের চরদুর্গাপুর এলাকায় তার বাড়িতেই ছিলেন মমতাজ। এই ৩ মাসে একদিনও তিনি ওই বাড়ির বাইরে বের হননি।

তার ভাষ্যে, ‘আমার স্ত্রী, সন্তান ছাড়া পাশের বাড়ির কেউ জানত না যে শিল্পী আপা এখানে আছেন। তিনি সবার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রাখেন, কেউ প্রয়োজন হলে আমার মাধ্যমেই যোগাযোগ করতেন।’

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাড়ির চারপাশ ছিল সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো আগন্তুক এলেই জানিয়ে দেওয়া হতো, বাড়িতে কেউ নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে বেশ আয়েশেই সময় কাটান মমতাজ।

ভাই এবারত হোসেন জানান, মমতাজের ঘনিষ্ঠ বান্ধবী নিপার মাধ্যমে তার নামে ধানমন্ডিতে একটি বাসা ভাড়া নেওয়া হয়। এরপর এক মধ্যরাতে বোরকা পরে গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়ে কালো গ্লাসের একটি মাইক্রোবাসে করে সরাসরি ঢাকায় চলে যান মমতাজ। বাসায় ওঠার পুরো প্রক্রিয়া নিপা তত্ত্বাবধান করেন।

নিপার স্বামী বিদেশে থাকায় মমতাজের যাবতীয় দেখাশোনা করতেন নিপা। আর আর্থিক সহায়তা দিতেন মমতাজের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জুয়েল।

মমতাজের তৃতীয় স্বামী ডা. এসএম মঈন হাসান জানান, আত্মগোপনের একপর্যায়ে মমতাজ কিছুদিন মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. রমজান আলীর মেয়ে রুনুর মোহাম্মদপুরের বাসায়ও ছিলেন। তবে এ বিষয়ে রমজানের ঘনিষ্ঠ সানোয়ার হোসেন এই তথ্যকে মিথ্যা দাবি করেছেন।

ডা. মঈন আরও বলেন, মমতাজের নামে মহাখালী ডিওএইচএসে একটি পাঁচতলা বাড়ি রয়েছে, যা বর্তমানে পিএস জুয়েল দখল করে রেখেছে। জুয়েলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তিনি আরও জানান, গত তিন বছর ধরে মমতাজের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই।

এ বিষয়ে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজম বলেন, ‌‘আমি এই থানায় দুই মাস হলো যোগদান করেছি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট