
সিলেটের জ্বালানি তেলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করেন আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধি ।
সিলেটে তেল বিক্রিতে পুলিশের ৩টি শর্ত (নতুন নিয়ম) সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (SMP) গত ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এখন থেকে সিলেটের পাম্পগুলো থেকে তেল নিতে হলে মোটরসাইকেল চালকদের ৩টি শর্ত মানতে হবে:
চালকের অবশ্যই বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে।
মোটরসাইকেলটি অবশ্যই রেজিস্ট্রেশনকৃত হতে হবে। চালকের পাশাপাশি আরোহীরও হেলমেট থাকা বাধ্যতামূলক। (এই শর্তগুলো না মানলে পাম্প থেকে তেল দেওয়া হবে না।)
বর্তমান সরবরাহ পরিস্থিতি (বিশেষ করে ঈদের ছুটির সময়) সিলেটের পাম্পগুলোতে অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছিল। অনেক পাম্পে “অকটেন নেই” সাইনবোর্ডও ঝোলানো হয়েছিল। তবে ২৪ মার্চ থেকে ডিপো থেকে পুনরায় সরবরাহ শুরু হয়েছে, ফলে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।
ডিজেলের সরবরাহ এখনো কিছুটা সীমিত। পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন যে চাহিদা অনুযায়ী পুরোপুরি সরবরাহ পেতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।
আতঙ্কিত হয়ে কেনাকাটা (প্যানিক বায়িং )
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়তে পারে
এমন গুঞ্জনে অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করছেন। সরকার এবং বিপিসি (BPC) বারবার আশ্বস্ত করেছে যে আপাতত দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা নেই এবং দেশে পর্যাপ্ত মজুত আছে। তাই দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সিলেট শহরের সুবহানীঘাট, কদমতলী ও আম্বরখানা এলাকার পাম্পগুলোতে সাধারণত ভিড় বেশি থাকে। সম্ভব হলে সকালের দিকে বা একটু নিরিবিলি সময়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
আপনার যদি খুব জরুরি কাজ না থাকে, তবে পাম্পে যাওয়ার আগে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেট সাথে আছে কি না তা নিশ্চিত হয়ে নিন, কারণ পুলিশি তদারকি এখন বেশ কড়া।
দেশে পেট্রোলের চাহিদা মূলত দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাওয়া কনডেনসেট (এক ধরণের উপজাত তরল) থেকে পূরণ করা হয়। ফলে পেট্রোলের জন্য আমাদের আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয় না। তবুও বর্তমানে যে সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে, তার পেছনে কয়েকটি মূল কারণ রয়েছে কৃত্রিম সংকট ও মজুতদারি সবচেয়ে বড় কারণ হলো বাজার কারসাজি।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে পারে এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে অনেক সময় ডিলার বা রিফাইনারিগুলো বেশি মুনাফার আশায় সরবরাহ কমিয়ে দেয়। বর্তমানে বেসরকারি রিফাইনারিগুলো থেকে বিপিসি (BPC) পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে, যা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।
দেশে গ্যাস উত্তোলনের পরিমাণ আগের চেয়ে কমে গেছে। প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলনের সময় উপজাত হিসেবে যে কনডেনসেট পাওয়া যায়, তা দিয়েই পেট্রোল ও অকটেন তৈরি হয়। গ্যাসের উৎপাদন কমলে স্বাভাবিকভাবেই কাঁচামাল বা কনডেনসেটের সরবরাহ কমে যায়, যা উৎপাদনে প্রভাব ফেলে।
আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা (প্যানিক বায়িং।)
যুদ্ধের খবর বা দাম বাড়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ যখন প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি তেল সংগ্রহ করতে শুরু করে, তখন পাম্পগুলোর নিয়মিত মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যায়। এতে সরবরাহ চেইনের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে এবং সাময়িকভাবে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিতে হয়।
পেট্রোল শতভাগ দেশে হলেও অকটেনের একটি বড় অংশ এবং ডিজেলের প্রায় ৮০% বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ডলার সংকটের কারণে আমদানিতে কিছুটা ধীরগতি আসলে তার প্রভাব পুরো জ্বালানি খাতের ওপর পড়ে।জ্বালানির ধরন দেশের উৎপাদন আমদানি পেট্রোল ১০০% ০% অকটেন প্রায়
৬০-৭০% ৩০-৪০% ডিজেল ২০% (রিফাইনড) ৮০%,
দেশে আমদানিকৃত পেট্রোল শতভাগ রয়েছে তাই সরকারের নির্দেশণা মেনে পেট্রোল সংগ্রহ করুন
গুজবে কান দিবেন না ।