
সিলেটের মানুষ এখন যেভাবে ডিসি মোঃ সারোয়ার আলম এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কে এম আবু নওশাদ খান–এই দুই কর্মকর্তার নাম উচ্চারণ করছে, তা আসলে বাংলাদেশের প্রশাসনে এক নতুন ধারা তৈরি হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। দু’জনই নিজেদের কর্মদক্ষতা, কঠোরতা, সততা এবং মাঠে নেমে কাজ করার মানসিকতার জন্য মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
ডিসি মোঃ সারোয়ার আলম সিলেটের নতুন গতি
ওনার সম্পর্কে যেটা সবচেয়ে বেশি আলোচিত
তিনি নিজে মাঠে নামেন, সিদ্ধান্ত নেন, এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন।
সারোয়ার আলম দেশের অন্যতম পরিচিত মোবাইল কোর্ট ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। খাদ্যে ভেজাল, দুর্নীতি, অবৈধ ব্যবসা এসবের বিরুদ্ধে তার অভিযান দেশজুড়ে আলোচিত হয়েছিল।
সিলেটের ডিসি হিসেবে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মানুষ আশা করছে সিলেট প্রশাসন আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে।
ওনার নিয়োগের বিষয়ে সংবাদমাধ্যম বলছে তিনি দুর্নীতি ও ভেজালের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত হওয়া এবং সিলেটের ডিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
কে এম আবু নওশাদ খান বিমানবন্দরের শৃঙ্খলার নতুন মুখ যদিও তার সম্পর্কে সরাসরি বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি, তবে যেটা জানা যায় তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং যাত্রীসেবা, শৃঙ্খলা ও আইন প্রয়োগে কঠোরতার জন্য এক পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন ।
কেন মানুষ তাকে নিয়ে কথা বলছে বিমানবন্দরের বিশৃঙ্খলা, দালালচক্র, অতিরিক্ত চার্জ—এসবের বিরুদ্ধে তিনি নিয়মিত অভিযান চালান।
যাত্রীদের হয়রানি কমাতে তার ভূমিকা প্রশংসিত।
অনেকেই তাকে “দৌড়ের উপর রাখা” বলতে বোঝায়
তিনি কাউকে ছাড় দেন না, নিয়ম ভাঙলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেন।
দু’জনকে নিয়ে মানুষের উচ্ছ্বাসের কারণ যেটা হচ্ছে
“দৌড়ের উপরে রেখেছেন সবাইকে”
এটা আসলে তাদের প্রশাসনিক স্টাইলের প্রতিচ্ছবি।
তারা মাঠে থাকেন নিয়ম ভাঙলে ব্যবস্থা নেন
দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান কাজের গতি ও দৃঢ়তা আছে ।
প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সঠিক হলে সেই জেলা শহর গুলির আইন শৃখলা এমনিতেই বদলে যাবে সরকারের উচিত প্রত্যেক জেলা শহর গুলিতে এ রখম কর্মকর্তাদের কে নিয়োগ দেওয়া ।
এই ধরনের কর্মকর্তা খুব বেশি দেখা যায় না, তাই মানুষ স্বাভাবিকভাবেই তাদের নিয়ে গর্ব করে।