
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে তালিকাভুক্ত অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বিক্রি বাধ্যতামূলক। বিক্রেতারা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নিতে পারবেন না।
বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ২৯৫টি ওষুধকে “অত্যাবশ্যকীয়” তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
এই ওষুধগুলোর জন্য নির্দিষ্ট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে ওষুধ কিনতে পারে।
বিক্রেতাদের বাধ্যতামূলকভাবে সরকারের নির্ধারিত দামে বিক্রি করতে হবে। অতিরিক্ত দাম নেওয়া আইনত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
দেশের প্রায় ৮০% মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমানো এবং ওষুধের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।
দীর্ঘ ৩০ বছর পর নতুন তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে, কারণ বাজারে ওষুধের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দেড় হাজারে দাঁড়িয়েছে।
পূর্বে মাত্র ১১৭টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল।
তালিকাভুক্ত ওষুধগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা যাবে না।
নিয়ম ভঙ্গ করলে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর (DGDA) আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে।
প্রতিবছর সর্বোচ্চ ২৫% পর্যন্ত দাম সমন্বয় করার সুযোগ থাকবে, তবে সেটিও সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে।
সাধারণ মানুষ চিকিৎসা ব্যয় কমবে, ওষুধ সহজলভ্য হবে ফার্মেসি/বিক্রেতা নির্ধারিত দামে বিক্রি বাধ্যতামূলক, অতিরিক্ত লাভের সুযোগ কমবে স্বাস্থ্য খাত স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা বাড়বে, ওষুধের বাজারে নিয়ন্ত্রণ আসবে ।
ওষুধ কিনতে গেলে সরকার নির্ধারিত মূল্য তালিকা দেখে নিন। যদি কোনো ফার্মেসি অতিরিক্ত দাম নেয়, তাহলে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর বা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করুন।
এভাবে নাগরিকরা সরকারের উদ্যোগকে কার্যকর করতে সহায়তা করতে পারবেন।