
সিলেটের রাজপথে একসাথে তিন শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডিসি সারোয়ার আলম, পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, ও সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী রেজা-ই রাফিন সরকার—জনদুর্ভোগ লাঘবে মাঠে নেমেছেন।
এই দৃশ্য শুধু প্রতীকী নয়, বাস্তবিক অর্থেই সিলেট নগরীর নাগরিক জীবনে পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে। তিনজনের এই একত্রিত উপস্থিতি নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের ইঙ্গিত দেয়, যা দীর্ঘদিনের যানজট, ফুটপাত দখল, এবং অবৈধ পার্কিং সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নগরীর ফুটপাত ও রাজপথ দখলমুক্ত করতে হকার পুনর্বাসনের কাজ শুরু করেছেন। লালদিঘীরপারে হকার্স মার্কেট প্রস্তুত করে সেখানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করছেন তিনি। তাঁর ঘোষণা রাজপথে কোনোভাবেই হকার বসতে পারবে না।
পুলিশ কমিশনার মো. আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ব্যাটারিচালিত রিকশা, অবৈধ সিএনজি ও যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছেন। নগরীর যানজট নিরসনে তিনি কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।
সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজা-ই রাফিন সরকারও এই উদ্যোগে যুক্ত হয়ে নগর ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় সাধনে কাজ করছেন, যদিও তাঁর কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশিত হয়নি।
জনগণের আস্থা বৃদ্ধির সম্ভাবনা: প্রশাসনের তিন স্তরের শীর্ষ কর্মকর্তার একসাথে মাঠে নামা নাগরিকদের মধ্যে আস্থা সৃষ্টি করে যে, সমস্যাগুলোর সমাধানে এবার সত্যিই কিছু হবে।
দখলমুক্ত নগরী ও যানজটহীন সড়ক: হকার পুনর্বাসন, অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, এবং সড়ক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে সিলেট নগরী আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে।
প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: একসাথে কাজ করলে বিভাগীয় দ্বন্দ্ব কমে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি আসে, এবং নাগরিক সেবায় উন্নতি হয়,এই দৃশ্য সিলেটবাসীর জন্য আশাব্যঞ্জক।