
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম হাদির জানাজায় বলেছেন, দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একজন হাদিকে হত্যা করে আন্দোলন থামানো যাবে না—বরং এর মাধ্যমে আরও অনেক হাদি জন্ম নেবে।
স্থান সিলেটের বন্দরবাজার এলাকায় কালেক্টরেট মসজিদের সামনে শরীফ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
ডিসি সারওয়ারের বার্তা: তিনি বলেন, “যারা মনে করে এক হাদিকে হত্যা করলে জুলাই আন্দোলন নস্যাৎ করা যাবে, তারা ভুল করছেন। একজন হাদিকে হত্যার মধ্য দিয়ে লক্ষ হাদি জন্ম নেবে।”
ঐক্যের আহ্বান: দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অংশগ্রহণ করেন বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা: জানাজায় এক হাজার বডি ওর্ন ক্যামেরাসহ পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।
শরীফ ওসমান হাদি ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনের অন্যতম নেতা।
– তাকে হত্যার পর সিলেটসহ সারাদেশে শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ডিসি সারওয়ার আলমের বক্তব্যে স্পষ্ট হয় যে প্রশাসনও এই হত্যাকাণ্ডকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান বিরল এবং তা জনমনে আস্থা তৈরি করে।
আন্দোলনের ধারাবাহিকতা: হাদির মৃত্যু আন্দোলনকে থামাতে পারবে না, বরং আরও মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে—এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা ও নজরদারি: জানাজায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রমাণ করে যে সরকার ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে।
এই ঘটনার মাধ্যমে বোঝা যায়, হাদির মৃত্যু শুধু শোক নয়, বরং ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠছে।
Sources: