
সিলেট-১ আসনে এনসিপি প্রার্থী এহতেশামুল হকের মনোনয়নপত্র স্থগিত হয়েছে মূলত দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে। তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে দাবি করলেও এর যথেষ্ট প্রমাণপত্র যাচাইয়ের জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়ন স্থগিত রেখেছেন।
দ্বৈত নাগরিকত্ব: এহতেশামুল হক দীর্ঘদিন যুক্তরাজ্যে বসবাস করায় তিনি দ্বৈত নাগরিক ছিলেন।
নাগরিকত্ব ত্যাগের দাবি: তিনি জানিয়েছেন যে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
প্রমাণ যাচাই: রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, নাগরিকত্ব ত্যাগের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই চলছে। যথেষ্ট প্রমাণ না থাকায় আপাতত মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
সিলেটের ৬টি আসনের মধ্যে এনসিপি তিনজন প্রার্থী দিয়েছিল। এর মধ্যে সিলেট-১ আসনে এহতেশামুল হক এবং সিলেট-৪ আসনে রাশেল উল আলমের মনোনয়ন স্থগিত হয়।
অন্যদিকে সিলেট-১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন, যার মধ্যে ৯ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকরা সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। তবে যদি কেউ বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করে থাকেন, তার প্রমাণপত্র জমা দিয়ে যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীতা বৈধ হতে পারে।
এহতেশামুল হকের ক্ষেত্রে এই প্রমাণপত্র যাচাই শেষ না হওয়ায় তার মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতা প্রার্থীদের জন্য বড় বাধা হতে পারে। প্রমাণপত্র যথাযথভাবে জমা না দিলে মনোনয়ন স্থগিত বা বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সিলেটের নির্বাচনী পরিবেশে এই ঘটনা নাগরিকদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, কারণ এটি প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।