
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এই মন্তব্য করেছেন তার সততা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাবে। কিছু গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল তিনি অর্থের বিনিময়ে প্রার্থী এম এ মালিকের মনোনয়নপত্র বৈধ করেছেন। এর প্রতিবাদে তিনি বলেন, “১০ কোটি টাকা কেন, ১০ হাজার কোটি টাকা দিয়েও আমাকে মালিক সাহেব কিনতে পারবেন না।”
২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি সিলেট শহরতলীর এয়ারপোর্ট থানার নয়াবাজার এলাকায় জীবন ফাউন্ডেশন সেইফ হোমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।
একই দিনে কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যেখানে অভিযোগ করা হয় যে তিনি অর্থ গ্রহণের বিনিময়ে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ মালিকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন।
এই অভিযোগের জবাবে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, কোনো অর্থের বিনিময়ে তাকে কেনা সম্ভব নয়।
তিনি স্পষ্ট করেছেন যে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে তিনি কোনো প্রকার অর্থ বা প্রভাবের কাছে নতিস্বীকার করবেন না।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে।
নির্বাচনী সময়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। তার মন্তব্য ছিল সেই প্রশ্নের সরাসরি জবাব।
গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল অর্থের বিনিময়ে মনোনয়ন বৈধ করা হয়েছে। প্রতিক্রিয়া তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন যে অর্থ দিয়ে তাকে কেনা যাবে না। প্রশাসনিক সততা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি। জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক বিতর্কে স্পষ্ট অবস্থান।
প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সততা ও দৃঢ়তা জনআস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারওয়ার আলমের বক্তব্য ছিল এক ধরনের প্রতিরোধ—যাতে বোঝানো হয় যে তিনি কোনোভাবেই অর্থ বা প্রভাবের কাছে বিক্রি হবেন না।
বিষয়টি নিয়ে সিলেটজুড়ে চলছে তুমুল আলোচনা। এদিকে সিলেট জেলা প্রশসকের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যম কমীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার ও আয়োজন করেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক।
সিলেটে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রশাসনিক সততা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখেছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম ।