
সিলেটের নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর জন্য প্রত্যাশার চেয়েও ভালো প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
২৮ জানুয়ারি ২০২৬, সিলেট নগরের সুবিদবাজার এলাকার পিটিআই মিলনায়তন। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এবারের নির্বাচনী প্রস্তুতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো এবং প্রত্যাশার চেয়েও উন্নত।
সিসি ক্যামেরা প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থাপন করা হবে।
ড্রোন নজরদারি নির্বাচনী এলাকায় ড্রোন ব্যবহার হবে, তবে সব কেন্দ্রে নয়। বডি ক্যামেরা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য থাকবে।
ডগ স্কোয়াড নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ কুকুর বাহিনী থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ১০ জন আনসার সদস্য থাকবে (৬ জন পুরুষ, ৪ জন মহিলা), এর মধ্যে ৩ জন সশস্ত্র আনসার।
স্ট্রাইকিং ফোর্স , সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী, র্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও পুলিশ থেকে সমন্বিত দল থাকবে। দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য মোবাইল টিম নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে নিরাপত্তা অ্যাপ ব্যবহার হবে। ডিজিটাল মনিটরিং: ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ।
প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে ভোটারদের আস্থা বাড়বে। সিলেট প্রশাসনের প্রস্তুতি জাতীয় পর্যায়ে উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সব কেন্দ্রে ড্রোন না থাকায় কিছু এলাকায় নজরদারির ঘাটতি হতে পারে। সিসি ক্যামেরা বা অ্যাপের প্রযুক্তিগত ত্রুটি হলে তাৎক্ষণিক সমাধান প্রয়োজন। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা আনসার ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় কার্যকরভাবে বজায় রাখতে হবে।
সামগ্রিকভাবে, সিলেটের নির্বাচনী প্রস্তুতি এবার প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সমন্বয়ের দিক থেকে আগের তুলনায় অনেক উন্নত। এটি স্থানীয় নাগরিকদের জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা, বিশেষ করে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশায়।