1. motinbishnes@gmail.com : সোনালী সিলেট : সোনালী সিলেট
  2. info@www.sonalisylhet.com : সোনালী সিলেট :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান: রাষ্ট্রের মালিকানায় সিলেটের ঐতিহাসিক কাজিরবাজার ডোনাল্ড ট্রাম্প মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, পদচ্যুতি দরকার: সাবেক সিআইএ পরিচালক এলএনজি, অপরিশোধিত তেল দ্বিগুণ দামে কিনছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন অভিযুক্ত মঈন: র‍্যাব ডিজি দাম বাড়ছে না ভোজ্যতেলের বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে নতুন গ্যাস সংযোগ ও লোড বৃদ্ধি বন্ধ: জালালাবাদ গ্যাসের সতর্কবার্তা ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ‘লং ডিপ্লোম্যাটিক জার্নি’ কী? হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন: যুক্তরাজ্য সিলেটে প্রথমবার ‘ছিলোটি লোক উৎসব’: শিকড়ের টানে প্রাণের মেলা জ্বালানি খাতে মাসে আড়াই থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান: রাষ্ট্রের মালিকানায় সিলেটের ঐতিহাসিক কাজিরবাজার

নিজস্ব প্রতিনিধি:🖊
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

 

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সিলেট নগরীর সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ‘কাজিরবাজার’-এর মালিকানা রাষ্ট্রের অনুকূলে এসেছে।

সরকারের পক্ষে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) বাজারটি এক বছরের জন্য ইজারা দিয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে বাজারটি পরিদর্শনে এসে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

কাজিরবাজারের মালিকানা নিয়ে নিম্ন আদালত থেকে উচ্চ আদালত পর্যন্ত দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত রায় সরকারের পক্ষে এসেছে। হাটবাজার নীতিমালা অনুযায়ী কোনো বাজার ব্যক্তিমালিকানাধীন হতে পারে না। ফলে বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এবং সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে বাজারটির ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হচ্ছে।

প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, ইজারা থেকে প্রাপ্ত রাজস্বের একটি অংশ ‘খান বাহাদুর আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া ওয়াকফ এস্টেট’-কে প্রদান করা হবে। অবশিষ্ট বিশাল অংশ নগরবাসীর জনকল্যাণমূলক কাজ এবং শহরের সার্বিক উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব রাজস্ব আয়ই নগর উন্নয়নের প্রধান উৎস।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিশিষ্ট জনহিতৈষী খান বাহাদুর আবু নছর মোহাম্মদ এহিয়া এই বাজারটি প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর পারিবারিক উপাধি ‘কাজী’ থেকে বাজারটির নাম হয় ‘কাজিরবাজার’। তিনি তাঁর বানিয়াচং, হাকালুকি হাওর, সুনামগঞ্জ ও আজমিরীগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত সম্পত্তির একটি বড় অংশ জনহিতকর কাজের উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে দিয়েছিলেন। অতীতে এই এস্টেটের মোতওয়াল্লী হিসেবে সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) দায়িত্ব পালন করতেন, যা বর্তমানে বিভাগীয় কমিশনারের অধীনে রয়েছে।

বাজারের শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সিটি কর্পোরেশন ও ইজারাদারকে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান সিসিক প্রশাসক।

প্রশাসকের সাথে উপস্থিত ছিলেন সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেবসহ কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইজারাদার এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট