
নগরবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর শহর উপহার দিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন হলো নগরীর সার্বিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম। প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর কঠোর নজরদারি ও সরজমিন তদারকির ফলেই এই দ্রুত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে।
গতকাল সকাল থেকেই প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী নগরীর বিভিন্ন এলাকা সরজমিন পরিদর্শন করেন। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে প্রধান সড়ক, ভেতরের অলিগলি এবং বিভিন্ন আবাসিক এলাকার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শনকালে প্রশাসক পরিচ্ছন্নতা কাজের গতি ও গুণগত মান বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। প্রশাসকের এই আকস্মিক ও সরাসরি মাঠপর্যায়ে উপস্থিতির কারণে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মাঝে ব্যাপক তৎপরতা দেখা যায়। ফলে পূর্বনির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই নগরীর সমস্ত ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করে রাস্তাঘাট ও আবাসিক এলাকাগুলো সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা সম্ভব হয়।
সিলেট নগরীকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। তবে শহরকে সুন্দর রাখতে নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে।”
এদিকে নির্ধারিত সময়ের আগেই পুরো শহর পরিচ্ছন্ন হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নগরীর সাধারণ বাসিন্দারা। স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, সাধারণত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেষ হতে অনেক সময় লেগে যায়, তবে এবার প্রশাসকের সরাসরি তদারকির কারণে খুব দ্রুত এবং চমৎকারভাবে চারপাশ পরিষ্কার করা হয়েছে।
নগর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিচ্ছন্নতার এই বিশেষ অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে এবং অবহেলা বরদাশত করা হবে না।