
মকন মিয়া ছিলেন সিলেট শহরের কাজির বাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যাঁর নাম স্থানীয়ভাবে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হয়। তাঁর জীবনী থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরছি যা তাঁর অবদান ও পরিচয়কে স্পষ্ট করে:
পরিচয় ও পারিবারিক পটভূমি পুরো নাম: মোহাম্মদ মকন মিয়া বাসস্থান: সিলেট শহরের কাজির বাজার আদি বাসস্থান: সিলেট দক্ষিন সুরমা পরিবার: তাঁর একমাত্র কন্যা ছিলেন মোছাঃ হামিদা খাতুন, যিনি সমাজসেবী এবং আলহাজ কামাল উদ্দিনের স্ত্রী ছিলেন।
মোছাঃ হামিদা খাতুনের দুই ছেলে বড়ো ছেলে আফসর আহমেদ তার নানার সম্পত্তি ও আদিপত্য কে দরে রেখেছেন মূলত কাজির বাজার গরু হাটা দৈনিক কাজির বাজার পত্রিকা সহ একটি কলেজ তৈরী করেছেন জনাব আফসর আহমেদ যা এখন ও চালু হয়নি আফসর আহমেদ এর রয়েছে তালতলা তেলিহাওরে মাদ্রাসা সংগ্লন পানের আড়ৎ ও ব্যবসা প্রতিষ্টান ।
শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান গঠন
প্রতিষ্ঠাতা: তিনি ছিলেন মোহাম্মদ মকন হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাতা, যা তাঁর শিক্ষাবিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গি ও সমাজ উন্নয়নের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রকাশ করে।
ধর্মীয় ও সামাজিক অবদান
মসজিদ: তাঁর নামানুসারে মোহাম্মদ মকন জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে তিনি ধর্মীয় নেতৃত্ব ও সমাজসেবার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ।
সালিশি ভূমিকা:
তিনি একজন সালিশি ব্যক্তিত্ব ছিলেন, অর্থাৎ স্থানীয় বিরোধ ও সমস্যার সমাধানে তাঁর ভূমিকা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ বৃহত্তর সিলেটের অনেক নামিদামি ব্যক্তিবর্গ কে সালিশ করতে দেখা গেছে তিনি যে সালিশে বসতেন সেই সালিশের দ্রুত সমাধান হয়ে যেতে দেখা গেছে ।
মৃত্যুর পর স্মরণ
তাঁর কন্যার জানাজা অনুষ্ঠিত হয় হযরত গায়বী শাহ (রহঃ) মাজার সংলগ্ন মাঠে, যেখানে ইমামতি করেন মোহাম্মদ মকন জামে মসজিদের ইমাম। এতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন, যা তাঁর পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ করে।
মকন মিয়া শুধু একজন ব্যক্তি নন, বরং সিলেটের কাজির বাজার এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অংশ। তাঁর শিক্ষা, ধর্মীয় নেতৃত্ব ও সামাজিক ভূমিকা আজও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনায় থাকে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সিলেট দক্ষিণ সুরমার একজন সালিশি বেক্তি ছিলেন মকন মিয়া যার নাম শুনলে সকলেই শ্রদ্ধা করতেন এই মকন মিয়া কে ।