
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার নঈমুল হক চৌধুরী দুর্নীতির মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন, তবে সিলেট মহানগর দায়রা জজ মুনশী আব্দুল মজিদ তার আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দুদকের দায়ের করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ২ নম্বর আসামি।
আসামি:নঈমুল হক চৌধুরী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে পরিচালক (অর্থ)।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক দায়েরকৃত মামলা জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সিলেট মহানগর দায়রা জজ মুনশী আব্দুল মজিদ
সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালত।
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ অভিযোগ আমলে নিয়ে ইউজিসি ২০২৩ সালে তদন্ত করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে ।
নঈমুল হক চৌধুরী চার্জশিটভুক্ত ২ নম্বর আসামি।
প্রধান আসামি: বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) ডা. মোর্শেদ আহমেদ চৌধুরী, যিনি এখনও পলাতক।
একই মামলায় আরও আটজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে কয়েকজন কর্মকর্তা জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় কারাবন্দি রয়েছেন। এই মামলার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে অনিয়মের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন সক্রিয়ভাবে তদন্ত ও মামলা পরিচালনা করছে, সিলেটের নাগরিক সমাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, যা স্থানীয় উন্নয়ন ও শিক্ষাক্ষেত্রে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে।