1. motinbishnes@gmail.com : সোনালী সিলেট : সোনালী সিলেট
  2. info@www.sonalisylhet.com : সোনালী সিলেট :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৯:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা সারাদেশে দুই দিনে বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু; সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি সিলেটে এসএসসি পরীক্ষার আগে নীতিমালায় বড় পরিবর্তন সিলেটে উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩; জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অবসান: রাষ্ট্রের মালিকানায় সিলেটের ঐতিহাসিক কাজিরবাজার ডোনাল্ড ট্রাম্প মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, পদচ্যুতি দরকার: সাবেক সিআইএ পরিচালক এলএনজি, অপরিশোধিত তেল দ্বিগুণ দামে কিনছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

সিলেটের আলী আমজাদের ঘড়ির কাঁটা বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেন🖊
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

আলী আমজাদের এই ঘড়িকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি প্রবাদ চালু ছিল । “এরকম” “চাঁদনী ঘাটের সিড়ি, আলী আমজদের ঘড়ি, জিতু মিয়ার বাড়ী, বঙ্কু বাবুর দাড়ি”।

অর্থাৎ ১৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট মহানগরীর প্রবেশদ্বার (উত্তর সুরমা) কীন ব্রিজের ডানপার্শ্বে সুরমা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেন সিলেটের কুলাউড়ার পৃত্থিমপাশার জমিদার আলী আহমদ খান, তার ছেলে আলী আমজদের নামকরণে। লোহার খুঁটির উপর ঢেউটিন দিয়ে সুউচ্চ গম্বুজ আকৃতির স্থাপত্যশৈলীর ঘড়িঘরটি তখন থেকেই আলী আমজদের ঘড়িঘর নামে পরিচিতি লাভ করে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হানাদার বাহিনীর গোলার আঘাতে এই প্রাচীন ঘড়িঘর বিধ্স্ত হয়। স্বাধীনতার পর সিলেট পৌরসভা ঘড়িটি মেরামতের মাধ্যমে সচল করলেও কিছুদিনের মধ্যেই ঘড়ির কাঁটা বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে আলী আমজদের ঘড়ি মেরামত করে পুনরায় চালু করা হয়। এসময় ঘড়িটি চালু করার পর ঢাকার একটি কোম্পানীর কারিগররা ঘড়িটি চালু রাখার জন্য রিমোট কন্ট্রোলের ব্যবস্থা করে দেয়।

পৌর চেয়ারম্যানের অফিসকক্ষ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘড়ির কাঁটা ঘুরতো। কিন্তু দুই-চার বছর যেতে না যেতেই ঘড়ির কাঁটা আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সিজান কোম্পানীর দ্বারা ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে ঘড়িটি পূনরায় চালু করা হয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই ঘড়িটির কাঁটা আবারও বন্ধ হয়ে যায়।

২০১১ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এই ঘড়িটিকে পূণরায় মেরামত করলে তা আবার দৈনিক ২৪ ঘণ্টাব্যাপী সচল ছিলো, সত্যি হলে ও দুঃখের বিষয় বিগত কয়েক মাস যাবৎ এই ঘড়িটি বন্ধ রয়েছে কেউ খেয়াল করেননি, ঘড়িটি নষ্ট হয়ে পরে রয়েছে ।

সিলেটের সোন্দর্য্য বর্ধিত এই ঘড়িটি দেখার জন্য দেশের ভিবিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসতেন দর্শনার্থীরা দেখার জন্য , সিলেটের চাদঁনীঘাটের পারে এই ঘড়িটি দেখতে, এখন আর কেউ আসে না ঘড়িটি দেখার জন্য ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট