1. motinbishnes@gmail.com : সোনালী সিলেট : সোনালী সিলেট
  2. info@www.sonalisylhet.com : সোনালী সিলেট :
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সিলেট বিভাগে হাম-রুবেলার প্রকোপ: লাবিবা নামের শিশুর মৃত্যু, সিলেটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট: মাঝারি গরুর চাহিদা তুঙ্গে, এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সরকারের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার: প্রধানমন্ত্রী দেশে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা সারাদেশে দুই দিনে বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু; সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি সিলেটে এসএসসি পরীক্ষার আগে নীতিমালায় বড় পরিবর্তন সিলেটে উৎসাহ-উদ্দীপনায় পালিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩; জেলা প্রশাসনের বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা

সিলেট বিভাগে হাম-রুবেলার প্রকোপ: লাবিবা নামের শিশুর মৃত্যু,

নিজস্ব প্রতিনিধি:🖊
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

 

সিলেট বিভাগে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে হাম ও রুবেলার সংক্রমণ। হাসপাতালগুলোতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে লাবিবা নামের মাত্র আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে প্রতিষেধক না নেওয়া এবং অসচেতনতার কারণেই সংক্রমণ ও প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে।

​এই মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে জরুরি স্বাস্থ্যবিধি ও চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে চলা আবশ্যক।
​হাম ও রুবেলা কী এবং কেন বিপজ্জনক?
​হাম এবং রুবেলা উভয়ই অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত শিশুর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এটি দ্রুত বাতাসে ছড়ায়। সাধারণত ৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং গর্ভবতী মায়েরা এই রোগে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে নিউমোনিয়া, মস্তিস্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস), অন্ধত্ব, এমনকি শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
এই রোগের ​লক্ষণসমূহ:
​তীব্র জ্বর এবং শরীরে লালচে দানা বা র‍্যাশ ওঠা।
​সর্দি, কাশি এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া।
​মুখে বা গালের ভেতরের অংশে সাদাটে দাগ দেখা দেওয়া।
​হাম ও রুবেলা থেকে বাঁচার উপায়
​চিকিৎসকদের মতে, এই রোগ প্রতিরোধের একমাত্র এবং সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক সময়ে টিকাদান। নিচে সুরক্ষার মূল উপায়গুলো তুলে ধরা হলো:
​এমআর (MR) টিকা নিশ্চিত করা: সরকারি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (EPI) আওতায় শিশুদের ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ ‘হাম-রুবেলা (MR) টিকা’ অবশ্যই দিতে হবে।

আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা: কোনো শিশু আক্রান্ত হলে তাকে অন্তত ৭ থেকে ১০ দিন অন্য শিশুদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা (আইসোলেশন) রাখতে হবে, যাতে পরিবারের বা প্রতিবেশীর অন্য শিশুরা সংক্রমিত না হয়।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আক্রান্ত শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে। এটি হামের জটিলতা এবং মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
​স্বাস্থ্যবিধি ও পুষ্টিকর খাবার: শিশুকে নিয়মিত পুষ্টিকর তরল খাবার ও বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। আক্রান্ত শিশুর ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

শিশুর তীব্র জ্বর ও শরীরে দানা দেখা দিলে কোনো ধরনের কবিরাজি বা ঘরোয়া টোটকার ওপর ভরসা না করে অবিলম্বে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুকে কোনো ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।
​সিলেট অঞ্চলের স্বাস্থ্য বিভাগ সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে, গুজবে কান না দিয়ে সরকারি টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে শিশুকে হাম-রুবেলার প্রতিষেধক দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট